মাটির পাত্রে বিভিন্ন শাকসবজি ও খাবার সংরক্ষণ; ডাঃ পার্থপ্রতিম; ১৪ মার্চ ১৯৯৫; পৃষ্ঠা- তিন; দৈনিক বসুমতী পত্রিকায় প্রকাশিত গ্রামাঞ্চলে বিভিন্ন খাদ্যবস্তু সংরক্ষণ করা একটি সমস্যা। শীতল পাত্র বা 'তাজা'-র মধ্যে রাখা ফল, শাকসবজি প্রায় এক সপ্তাহ এবং রান্না করা খাবার ও দুধ প্রায় তিনদিন পর্যন্ত ভাল থাকে। 'তাজা' আসলে দু’দেওয়ালের মাটির পাত্র। দেওয়াল দু’টির মাঝখানের ফাঁপা জায়গা জল দিয়ে ভর্তি থাকে। মাটির পাত্রের গায়ে যে ছোট ছোট অসংখ্য ছিদ্র আছে, তা দিয়ে সবসময় জল বাইরে বেরিয়ে আসে ও বাষ্পে পরিণত হয়ে উবে যায়। জল বাষ্প হওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় লীনতাপ পাত্রের দেওয়াল থেকে সংগ্রহ করে। এর ফলে ধীরে ধীরে পাত্রের ভেতরের তাপমাত্রা বাইরের পরিবেশের তাপমাত্রা থেকে অনেক কমে যায়। এই কারণে কাঁসা বা পিতলের কলসী থেকে মাটির কলসীর জল বেশি ঠান্ডা হয়। মাটির পাত্র তৈরির পদ্ধতি : রেখাচিত্রের মত প্রথমে ২০ ইঞ্চি ও ১৪ ইঞ্চি ব্যাসের দু’টি টবের মত পাত্র তৈরি করা হয়। এর পর বড় পাত্রের মধ্যে ছোট পাত্রটিকে এমনভাবে ঢুকিয়ে দেওয়া হয়, যাতে পাত্র দু’টির মধ্যে যথেষ্ট ফাঁ...
continue reading →পশু-পাখির চিকিৎসায় হোমিওপ্যাথি; ডাঃ পার্থপ্রতিম।১৭ বর্ষ ৩৩৩ সংখ্যা শনিবার ১৩ বৈশাখ ১৪০৪ উত্তরবঙ্গ সংবাদ পত্রিকায় প্রকাশিত বিংশ শতাব্দীর শেষ দশকগুলিতে চিকিৎসা বিজ্ঞানের অগ্রগতি ঘটেছে অসম্ভব দ্রুতগতিতে। সেই সঙ্গে পশু-পাখির চিকিৎসার ক্ষেত্রেও যথেষ্ট উন্নতি হয়েছে। বর্তমান অবস্থায় চিকিৎসা সংকট বলে কিছু নেই- এমন কথা খুব জোর দিয়ে বলা যায় না। অ্যালোপ্যাথি চিকিৎসা পদ্ধতিতে গৃহপালিত পশু-পাখির চিকিৎসা অত্যন্ত ব্যয়বহুল। তার অন্যতম কারণ, এক্ষেত্রে ওষুধের পরিমাণ ঠিক করা হয় পশুর ওজন অনুসারে। স্বাভাবিকভাবে যা মানুষের দু’তিন গুণ। রুগ্ন মানুষের সেবায় হোমিওপ্যাথির অবদান আজ বহুজন স্বীকৃত। সেভাবে অসুস্থ পশু-পাখির চিকিৎসায় এই পদ্ধতি যথাযথভাবে প্রয়োগ করলে সুন্দর ফল পাওয়া যায়। পশু-পাখির আচরণ, পায়খানা, প্রস্রাব, শ্বাস-প্রশ্বাস, খাবার চেবানোর ভঙ্গি প্রভৃতি বিষয় সঠিকভাবে পর্যবেক্ষণ করে হোমিওপ্যাথিক ওষুধ প্রয়োগ করলে আশানুরূপ ফল পাওয়া সম্ভব। মানুষের মতোই নাক্স, অ্যাকোনাইট, ব্রায়োনিয়া, রাসটক্স প্রভৃতি সধারণ ওষুধ গৃহপালিত পশুর চিকিৎসায় ...
continue reading →মহারাজ- ইনজামামদের সঠিক পানীয়; ডাঃ পার্থপ্রতিম; মার্চ ২০০৪; উত্তরবঙ্গ সংবাদ পত্রিকায় প্রকাশিত চলছে মহারণ। শুধু ম্যাচ নয়, দিল ভি জিতনা পরেগা। টিভি-র পর্দায় আটকে আছে কয়েক কোটি চোখ। মাঝের বিরতিতে শীতল পানীয়ের উষ্ণ বিজ্ঞাপন। বিভিন্ন কোম্পানির কোটি কোটি টাকা পকেটে পুরে-‘এ দিল মাঙে মোর’ বা ঠান্ডা মতলব...’ বলে যতই নাচানাচি করুন না কেন, এই তারকারা যে নিজেরা কতখানি এসব পানীয়তে গলা ভেজান সেটা কিন্তু বড়ো প্রশ্ন। না, সে বিতর্কে আপাতত যাচ্ছি না। তবে হ্যাঁ, খেলাধুলার সঙ্গে পানীয়ের সম্পর্ক খুবই নিবিড়। এক্ষেত্রে আমাদের শরীরটাকে মোটরগাড়ির সঙ্গে তুলনা করা যেতে পারে। গাড়ির ইঞ্জিনকে ঠান্ডা রাখতে যেমন তার রেডিয়েটারে জল ঢালতে হয়, তেমনই অতিরিক্ত পরিশ্রমের সময় প্রয়োজন হয় পানীয়ের। আমাদের দেহের স্বাভাবিক তাপমাত্রা ৯৭-৯৮ ডিগ্রি ফারেনহাইট। শারীরিক পরিশ্রম করলে দেহের তাপমাত্রা বাড়তে থাকে সে সময় শরীরকে ঠান্ডা রাখার জন্য ঘাম বেরিয়ে আসে। যে কারণে মাটির কলসিতে রাখা জল তুলনামূলকভাবে ঠান্ডা থাকে, সেই একই কারণে ঘাম নিঃসরণে দেহ শীতল হয় ও দেহের তাপ সুনি...
continue reading →কুকুর পুষলে মানসিক চাপ কমে, রোগভোগও; ডাঃ পার্থপ্রতিম; ১৩ আগস্ট ২০০৫, শনিবাসর-উত্তরবঙ্গ সংবাদ পত্রিকায় প্রকাশিত কুকুর পুষুন। কুকুরটিকে সন্তান সম যত্নে লালন-পালন করুন। রোগভোগে জোরবার হতে হবে না, আায়ুও বাড়বে। আপনার উদ্বেগ, উৎকণ্ঠা ছাড়া যত ধরনের মানসিক চাপ আপনাকে বিধ্বস্ত করে, ভালোবেসে কুকুর পুষলে সে সব যন্ত্রণা থেকে রেহাই মিলবে। জার্মান সোশিও-ইকনমিক প্যানেল গবেষণা-সমীক্ষা চালিয়ে এই প্রতিবেদন পেশ করেছেন। জার্মানির গবেষণা ও উন্নয়ন মন্ত্রক এই কাজের জন্য টাকা জুগিয়েছিল। আমাদের দেশে এসব গবেষণা, টবেষণা হয় না। ভেটিরিনারি সার্জেন সুভাষ সরকার জানাচ্ছেন, যাঁরা কুকুর পোষেন, তাঁরা স্বাস্থ্য সচেতন হন। কিছু খেতে হলে প্রতিবারই খাওয়ার আগে হাত, পা ধোওয়া, কুকুরদের খাওয়ানোর আগে পরেও একইভাবে হাত পা ধুয়ে নেওয়া, এই নিয়মে অভ্যস্ত হয়ে পড়েন কুকুরের মালিক এবং মালকিনরা। এরকম চলতে থাকায় শরীর শুধু সুস্থই থাকে না, কুকুরের সঙ্গে ওঠাবসার কারণে শরীরের প্রতিরোধী ক্ষমতাও বেড়ে যায়। ফলে, ঘনঘন ডাক্তারবাবুর চেম্বারে ছুটতে হয় না, আজ এ সমস্যা, কাল সে সমস্যায় ভুগ...
continue reading →Dr. Parthapratim. He exposes himself in such name i.e. without surname. This is his first revolt against such caste, creed and religion of so called society. Since the very boyhood he has been integrally attached with various scientific movement. He actively takes part in different Health and Science seminar bot
Read More →