দৈনিক বাসুমতী ২৪ আগস্ট ১৯৯২ সোমবার প্রকাশিত কে, জানে কয়লা, পেট্রোলিয়াম, প্রাকৃতিক গ্যাস প্রভৃতি জ্বালানীর ভান্ডার অফুরান নয়! ভূতত্ত্ববিদেরা ইতিমধ্যেই আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন যে-আগামী শতাব্দীর প্রথম অর্ধেই বিভিন্ন জীবাশ্ম জ্বালানী ও কাঠের ব্যাপক অভাব দেখা দেবে। এ ছাড়াও কাঠ, কয়লা, গ্যাসোলিন প্রভৃতি ব্যবহারের ফলে উৎপন্ন হয় কার্বন ডাই-অক্সাইড, কার্বন মনোক্সাইড, সালফার ডাই-অক্সাইড যা বায়ুমন্ডল ও পরিবেশকে দূষিত করে। সে কারণেই পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্তের বিজ্ঞানীরা খুঁজে চলেছেন শক্তির নতুন নতুন উৎস। বৈজ্ঞানিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা থেকে জানা গেছে, হাইড্রোজেন আগামী দিনের জ্বালানী সংকট মোকাবিলার অন্যতম অস্ত্র হতে পারে। হাইড্রোজেন দহনের ফলে যে পরিমাণ শক্তি পাওয়া যায়, তা সমান ওজনের গ্যাসোলিন, পেট্রোল, ইলেকট্রিক ব্যাটারি বা অন্য সব প্রচলিত উৎসের চেয়ে অনেক বেশি। তাছাড়া হাইড্রোজেন জ্বলনের ফলে উৎপন্ন হয় জল, যা পরিবেশের একটি অপরিহার্য উপাদান। তাই পরিবেশ দূষণের কোন প্রশ্নই ওঠে না। হাইড্রোজেন সরবরাহ ও সঞ্চয়ের সহজ পদ্ধতি বহু আ...
continue reading →কেস যখন জন্ডিস; ডাঃ পার্থপ্রতিম। ১১ নভেম্বর ২০০১ রবিবারের সাময়িকী; উত্তরবঙ্গ সংবাদ পত্রিকায় প্রকাশিত জন্ডিস অনেক সময়ই মারাত্মক হয়ে ওঠে। চলতি বাংলায় ন্যাবা, পান্ডুরোগ, কামলারোগ বলা হলেও ডাক্তারি পরিভাষায় একে হেপাটাইটিস বলে। 'হেপার' কথার অর্থ হল যকৃত বা লিভার। এই লিভারের প্রদাহ বা ইনফ্লেমেশনকে হেপাটাইটিস বলা হয়। আলোচনা করেছেন -ডাঃ পার্থপ্রতিম। সাধারণভাবে দু’ধরনের জন্ডিস দেখা যায়। হেপাটাইটিস ‘এ’ এবং হেপাটাইটিস ‘বি’। হেপাটাইটিস ‘এ’ কে বলা হয় ইনফেকটিভ হেপাটাইটিস এবং ‘বি’ কে বলা হয় সিরাম হেপাটাইটিস। এছাড়াও আরো বহু ধরনের জন্ডিস আছে। আমাশয় জীবাণু অ্যামিবিয়া হিস্টোলিকা অনেক সময় লিভারে ঢুকে জন্ডিস ঘটিয়ে থাকে। একে বলে ‘অ্যামিবিক হেপাটাইটিস’। গলব্লাডারস্টোন, টিউমার থেকে পিত্তনালীতে বাধা সৃষ্টির ফলে জন্ডিস হতে পারে। একে বলে 'অবস্ট্রাকটিভ জন্ডিস'। কিছু কিছু ক্ষেত্রে অ্যাসিটামিনোফেন, আইসোনায়াজাইড, ভ্যালপ্রয়িক জাতীয় ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার (Side effect) ফলে হেপাটাইটিস হতে দেখা যায়। অতিরিক্ত প্যারসিটামল খেলে...
continue reading →হৃদয়ের কথা- ১ পর্ব-হৃদয় ও তার গঠনশৈলী এ এক অতন্ত্র প্রহরী। জীবন-মৃত্যুর লাইন অব্ কন্ট্রোলে দাঁড়িয়ে অবিশ্রামভাবে মার্চ করে চলেছে ধুক্-পুক্- ধুক্-পুক্। শুধু জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্তই নয়, জন্মের পূর্বে মাতৃগহ্বরে থাকাকালীন শুরু হয়ে যায় হৃদয়ের কাজ কারবার। সে এক সূদর অতীতের কথা। তখন কোনো মানবশিশুই ধরার বুকে ধরা দেয়নি। বিবর্তনের সিঁড়ি বেয়ে পৃথিবীতে এসেছে- কেঁচো, জোঁক প্রভৃতি অ্যানিলিডা বা অঙ্গুরীমাল প্রাণীরা। জীববিজ্ঞানীরা এই সময়কে ক্যামব্রিয়ান যুগ (Cambrian) বলে অ্যাখ্যা দিয়েছেন। কেঁচোর পৃষ্ঠীয় ও অঙ্কদেশে বয়ে যাওয়া একজোড়া রক্তনালীকে পাশাপাশিভাবে যুক্ত করেছে চারটি স্পন্দনশীল রক্তথলি। বাইরের পরিবেশের অক্সিজেন কেঁচোর ভেজা ত্বকের মধ্য দিয়ে ব্যাপন প্রক্রিয়ায় মিশে যায় রক্তে, সেই অক্সিজেনপূর্ণ রক্ত শাখানালী ও জালকের পথ ধরে ছড়িয়ে পড়ে তার সারাদেহে। দেহের পাশ বরাবর থাকা স্পন্দনশীল থলির মতো রক্তনালীকে হৃৎপিন্ডের আদিম রূপ বলা যেতে পারে। প্রাণীর বিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে জটিল থেকে জটিলতর হয়েছে তার দেহ গঠন। দেহের প্রতিটি সজীব ...
continue reading →জিরাফের আত্মীয় ওকাপি;ডাঃ পার্থপ্রতিম; ১০ই আষাঢ় ১৩৯৮ (মঙ্গলবার) বর্তমান পত্রিকায় প্রকাশিত এসো, একবার তাকাই আফ্রিকা মহাদেশের মানচিত্রের দিকে, ওই যে মধ্য-পূর্ব আফ্রিকার বুক জুড়ে রয়েছে চিরসবুজ নিরক্ষীয় বনভূমি। পূর্বে সিমলিকি নদী থেকে পশ্চিমে কঙ্গো ও উবাঙ্গি নদীর সঙ্গমস্থল পর্যন্ত এই অরণ্য বিস্তৃত। আয়তন উত্তর-দক্ষিণে ১৪০ মাইল, পূর্ব-পশ্চিমে ৬২৫ মাইল। এই বৃষ্টিভেজা বনভূমিতে ঘুরে বেড়ায় ওকাপি নামের এক বিরল প্রাণী। এদের নিকট আত্মীয় পরিজনদের মধ্যে প্রায় সকলেই পৃথিবী থেকে বিলুপ্ত হয়েছে। বেঁচে আছে খালি জিরাফ। ওকাপির গলা জিরাফের মতো অত লম্বা না হলেও, দেহের অন্যান্য আকারে জিরাফের সাথে খুব মিল। গায়ের রঙ গাঢ় লালচে বাদামী মখমলের মতো; যদিও বয়স বাড়লে গায়ের রঙ কিছুটা হালকা হয়ে যায়। পায়ের হাঁটুর নীচের ভাগ সাদা, হাঁটুর উপরে সাদাডোরাকাটা দাগ রয়েছে। এদের মুখটি খুব সাদা এবং কপাল হয় গাঢ় ধূসর। দেহের এই বিভিন্ন রঙের জন্য, বনের গাছপালার আলো-ছায়ার মধ্যে এরা অনায়াসে লুকিয়ে থাকতে পারে। সহজে কারো নজরেই পড়ে না। এদের মাথাটি পিছনের অংশ থেকে খানিক...
continue reading →Dr. Parthapratim. He exposes himself in such name i.e. without surname. This is his first revolt against such caste, creed and religion of so called society. Since the very boyhood he has been integrally attached with various scientific movement. He actively takes part in different Health and Science seminar bot
Read More →