জলফড়িং থেকে যুদ্ধবিমান; ডাঃ পার্থপ্রতিম। ২৮বর্ষ, আগষ্ট -২০০৩, পৃষ্ঠা সংখ্যা-৩৩; জ্ঞান বিচিত্রা(ত্রিপুরা) পত্রিকায় প্রকাশিত ফ্লোরে সাদা ধোঁয়া ছড়ান, ক্যামেরাম্যান তাঁর হাইস্পিড মুভি ক্যামেরার লেন্সটিকে আরো একবার মুছে নিলেন। চিরিস সোমপ্ (Chris Somps)ক্যামেরাম্যানের সঙ্গে শেষ পরামর্শটুকু সেরে নিচ্ছেন। আলো প্রক্ষেপকও তৈরি। শুরু হল অ্যাকশন....। না না, এ কোন চলচ্চিত্রের শুটিং নয়। সোমপ্ কোন চিত্র পরিচালক নন, একজন বিমান প্রযুক্তিবিদ। হ্যাঁ, অবাক হওয়ার মতই ব্যাপার, কোলোরাডো বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণাগারের প্লেক্সিগ্লেস (Plexiglass) চেম্বারে জলফড়িং-এর ওড়ার কৌশলের ওপর পর্যবেক্ষণ চালাচ্ছেন একদল বিমান প্রযুক্তিবিদ। জলফড়িং ড্রাগনফ্লাই (Dragonfly) এই পৃথিবীতে এসেছে কার্বোনিফেরাস কালে (Carboiniferous period) ৩৫ কোটি বছর। এই মাটি ছেড়ে আকাশে পাখা মেলেছিল পাখি আসার ২১ কোটি বছর আগে। জলফড়িংয়ের ওড়ার কৌশল বহু বছর আগে থেকেই মানুষের মনে সৃষ্টি করেছিল বিস্ময়। যাত্রীবাহী উড়োজাহাজ উড়ন্ত অবস্থায় পুরোপুরি ডান বা বাম পাশে ঘুরতে জায়গা লাগে প্রায় ৫০.৭০ মাইল। আর জলফড়ি...
continue reading →তুমি যদি পোকা হতে ; ডাঃ পার্থপ্রতিম; বর্তমান; ১৮ই জানুয়ারী ১৯৯২; না না রাগ করো না, আরে বাবা দু’চোখ বন্ধ করে একবার ভেবেই দেখনা; যদি তুমি মানুষ না হয়ে পোকা হতে তবে কেমন হতো? দাঁতালোপোকা স্ট্যাগহর্ন বিটলের কথাই ধরা যাক। সে তার নিজের ওজনের নব্বইগুন ভারি জিনিস, তার দেহের দৈর্ঘের ত্রিশগুণ পথ অনায়াসে নিয়ে যেতে পারে। এই হিসাবে তোমাদের ওজন যদি ৪০ কেজি ও উচ্চতা ৫ ফুট হয় তবে, ৩৬০০ কেজি ওজনের বস্তু ৫০ গজ দূরে নিয়ে যেতে মোটেই পরিশ্রান্ত হতে না। ফ্লি-মাছি যাকে বিজ্ঞানীরা বলেন- পুলেক্স ইরিট্যান্স। এদের পা খুব বেশী হলে কয়েক মিলিমিটার হবে। কিন্তু এরা এক লাফে ৩২ সেমি পথ যেতে পারে। লাফিয়ে উঠতে পারে ২০ সেমি উঁচুতে। তোমরা যারা উচ্চতায় পাঁচ ফুট, তারা ফ্লি-মাছি হলে লং জাম্প দিতে প্রায় পাঁচশো মিটার, দু’লাফে হাওড়ার ব্রিজ পার। আর হাইজাম্পে সাড়ে চারশো ফুট, এক লাফেই ৪৪ তলা বাড়ির ছাদে। কেমন ব্যাপার বলো তো! দেখার বিষয়ে- আমাদের দুচোখের মতো জলফড়িং বা ড্রাগনফ্রাই-এর আছে প্রায় ১০ হাজারটি চোখ। তাই সে সামনে-পেছনে উপর ও নিচের সব জিনিসকে একই সাথে দেখতে পায়।...
continue reading →আলোক ভরা স্বপ্ন মায়া কাশের ডালি, বুকের ব্যথা এই আসরে গোপন করে- বৃষ্টি ঝরে- রৌদ্র পড়ে দু’টি পাতা একটি কুঁড়ি, শব্দ আঁকে ঝোরার ধারে। ঘামের ছোঁয়া- কান্না ভরা- চায়ের কাপে এসব কথা বস্তাপচা, খোলামকুচি। অনেক হলো এখন বুড়ো ভাম হয়েছি তহেরি মনের মাঝেই আমি লোক চিনেছি। ম্যালেরিয়া নিকেষ কালো, অলীক দাওয়া হাঁড়িয়া পানি, সাদা গোলি রুগনো আঁধার। মোংরা, বুধু চইল গেলাক নিঁদের দেশে শপিং মলে এক্সকালেটর ডবলি বাজার। তোদের টিউন হয় না কপি স্টার দা...
continue reading →“ এ শুধু .... দিন, এ লগন রূপ দেখাবার ...”; -ডাঃ পার্থ প্রতিম । শেষমেশ এসে পড়ল। একেবারে হুড়মুড়িয়ে এসে পড়লো । বঙ্গ জীবনের সবচেয়ে বড় অঙ্গ, মেগা ইভেন্ট। দূগগা পূজা, শারদ উৎসব। আমাদের দিন কাটে থোড় বড়ি খাড়াতে। খানা-খন্দে ভরা পথঘাট, তাতে প্যাচপ্যাচে বৃষ্টি। বিরক্তির একেবারে চুড়ান্ত। এরই মাঝে কোন এক বর্ষা রাতের শেষে চা-বাগিচার সবুজ মখমলে আছড়ে পড়ে সোনা রোদের আভা। শরৎকাল! বুকের ভেতর ঢ্যাং কুড় কুড় বাদ্যি বাজে। বোনাস হয়, জমে ওঠে গুদরী বাজার। রাজার জামাই গান ধরে- “ আ- হা, কী আনন্দ, আকাশে বাতাসে।” আসলে কোন উৎসব একলা হয় না। দলবল লাগে। উৎসবের আঙ্গিনায় দিলের খিল খুলে যায়। এখানেই উৎসবের সার্থকতা। হাড় চিপ্পুস সুকল্যাণ নিজেই ফিলটার উইলস্ -এর প্যাকেট খুলে এগিয়ে দেয়। নবমী নিশিতে আমাদের টিঙ্কুদি নিজ থেকেই এগরোল খাওয়ায়। সেই কবে দাড়িওয়ালা- ছয় ফুট লম্বা ঐ লোকটি বলেছিলেন-“ আপন হতে বাহির হয়ে বাইরে দাঁড়া, বুকের মাঝে বিশ্বলোকের পাবি সাড়া..”। উৎসবের দিনগুলিতে আমাদের মাঝে লুকিয়ে থাকা বিশ্বমানবটি বেড়িয়ে আসে। এখানেই প্রয়োজন হয়ে পড়ে নিজেকে প্রকাশ করার...
continue reading →Dr. Parthapratim. He exposes himself in such name i.e. without surname. This is his first revolt against such caste, creed and religion of so called society. Since the very boyhood he has been integrally attached with various scientific movement. He actively takes part in different Health and Science seminar bot
Read More →