রোজ হিপ পারে; -ডাঃ পার্থপ্রতিম; ২৫ অক্টোম্বর ২০০৮; উত্তরবঙ্গ সংবাদ পত্রিকায় প্রকাশিত
শ্রেণি, হাঁটু সহ নানা অস্থিসন্ধির বাত-ভোগান্তির বাড়াবাড়ি রুখতে পারে, উপশম করতে পারে রোজ হিপ ফল থেকে তৈরি লিটোজিন। বাসলি, সুইজারল্যান্ডের মানব পুষ্টি এবং স্বাস্থ্য বিভাগের গবেষকরা জানিয়েছেন। রোমে অনুষ্ঠিত অস্টিওআর্থ্রাইটিস রিসার্চ সোসাইটির আন্তজার্তিক কংগ্রেসে রোজ হিপে থাকা সুগারি ফ্যাটি অ্যাসিড গোপো-র গুণাগুণের কথা জানানো হয়েছে। বলা হয়েছে, যে সমস্ত জিন প্রদাহ সৃষ্টিকারী প্রোটিন এবং এনজাইম তৈরি করে অস্থিসন্ধির ক্ষতি করে, সেগুলির সুইচ অফ করে দেয় গোপো। আর অস্থিসন্ধিকে সুস্থ রাখতে কোলাজেন এবং কার্টিলেজ উৎপাদনকারী জিনের সুইচ অন করে দেয়। ফলে, ভেঙে যাওয়া কোলাজেন নতুন করে তৈরি হতে পারে। কার্টিলেজ তথা তরুণাস্থিও। উল্লেখ্য, কোলাজেন স্তর ত্বককে টানটান রাখতে সাহায্য করে।
কৃষ্ণবর্ণ প্যাঁচা
ঘোর কৃষ্ণবর্ণ। ঘন কালো রঙের প্যাঁচা। এরকম পিচের মতো কালো রঙের প্যাঁচা সচরাচর জন্মায় না। জিন বিবর্তনের কারণে এরকম কৃষ্ণবর্ণত্ব প্রাপ্তি ঘটে লাখে একজনে। কৃষ্ণবর্ণ প্যাঁচা জন্মালেও বাঁচতে পারে না। কেননা প্যাঁচা মায়েরা কালো ছেলেপিলে একদমই পছন্দ করে না। কালোদের পরিত্যাগ করে। অন্য প্যাঁচারা মেরে ফেলে। এই কালো প্যাঁচাটিও কবেই মরে যেত যদি না উদ্ধার কেন্দ্রে জন্ম হত। এখনও যদি এটিকে বন্য প্যাঁচাকুলে ছেড়ে দেওয়া হয়, তাহলে বন্যরা এটিকে ১২ ঘন্টার মধ্যেই মেরে ফেলবে। জানিয়েছেন হেয়ারর্ফোড আউল রেসকিউ সেন্টারের তত্ত্বাবধায়ক ব্যারোনেস ভনবার্থ। উদ্ধার কেন্দ্রে জন্ম নেওয়া প্যাঁচাটির বয়স সবে দু বছর পূর্ণ হয়েছে। ব্রিটেনে স্বাভাবিক যে বর্ণের প্যাঁচা জন্ম নেয়, তার পাশে কৃষ্ণবর্ণ প্যাঁচাটিকে রেখে ছবি তুলিয়েছেন ভনবার্থ। এইরকম ব্ল্যাক বার্ন আউল তথা কৃষ্ণবর্ণ প্যাঁচার সংখ্যা গোটা ব্রিটেনে সাকুল্যে মাত্র তিন। উল্লেখ্য, স্বাভাবিক বর্ণের প্যাঁচার তুলনায় কৃষ্ণবর্ণের প্যাঁচাদের শরীরের প্রতিরোধী শক্তিও চাঙ্গা হয়।
সাদা চড়ুই
সাদা চড়ুই। লাখে মেলে একটি। স্বাভাবিক অর্থাৎ বাদামিরঙা চড়ুইরা অনেক সময় সাদা চড়ুইকে দলে মেনে নিতে চায় না। ফলে ঝাঁক থেকে একা হয়ে যাওয়া সেই সাদা চড়ুইকে শিকারজীবী পাখিরা ধরে খায়। এই সাদা চড়ুইকে অবশ্য মেনে নিয়েছে বাদামিবর্ণারা। লন্ডনের ওয়েস্ট ওয়েলস কান্ট্রিসাইডে ছুটি কাটাতে গিয়ে এই সাদা চড়ুই দেখতে পান ডেভিড লয়েড (৪৫)। বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, পিগমেন্টেশনের কারণে এরকম হয়। উল্লেখ্য, পিগমেন্ট হল আয়রন অক্সাইড। রঙের রাসায়নিক নাম।
কখনও কখনও এই পিগমেন্টেশনের কারণে শুধু মাথাটা সাদা হয়, শরীরটা অন্য রঙের হয়, কখনও কখনও শরীরের কিছু অংশে, ডানায় সাদা শেড হয়। এই অবস্থাকে বলে লিউসিজম।
যক্ষ্মার বয়স
ইজরায়েলের সমুদ্র উপকূলে পাওয়া ৯ হাজার বছরের পুরানো হাড় পরীক্ষা করে জানা গিয়েছে, তখনও যক্ষ্মা রোগ ছিল। অতএব যক্ষ্মা রোগের বয়স ৬০০০ নয়, ৯০০০ বছর। জানিয়েছেন লন্ডনের ইউনিভার্সিটি কলেজের বিজ্ঞানী ডা. মার্ক স্পিগেলম্যান।